Bangla ArticlesDigital Marketing TipsEarning Tips & TricksFacebook Tips & TricksFreelancing Tips

ফেসবুকে রিচ পাচ্ছেন না / রিচ আসছে কিন্তু অর্ডার পাচ্ছেন না?

ফেসবুকে রিচ পাচ্ছেন না / রিচ আসছে কিন্তু অর্ডার পাচ্ছেন না, তাহলে এই পোষ্ট আপনার জন্য। বিস্তারিত বলার চেষ্টা করেছি তাই ধর্য্য ধরে পড়ুন।

Facebook Marketing Tips 01

  1. Facebook Marketing Tips 01 – ফেসবুকে রিচ পাচ্ছেন না / রিচ আসছে কিন্তু অর্ডার পাচ্ছেন না?
  2. Facebook Marketing Tips 02 – ফেসবুক এডস দেওয়ার সময় কিছু বিষয় কখনোই করা উচিৎ নয়
  3. Facebook Marketing Tips 03 – কিছু সিক্রেট বা টিপস না জানলে মার্কেটিং এ আসলে প্রাণ আসে না
  4. Facebook Marketing Tips 04 – অনেকেই আছে নিজে এডস রান করে কিন্তু
  5. Facebook Marketing Tips (Bonus) – ফেসবুকে গোয়েন্দাগিরী

 

বেশ কিছু দিন ধরেই দেখছি E-Cab গ্রূপে অনেকে পোষ্ট করছেন – এড দিলে ভালো রিচ আসছে না , ভালো রেজাল্ট পাচ্ছি না , সেল জেনারেট হচ্ছে না ইত্যাদি। অনেকের মাঝেই অনেক বেশি হতাশা কাজ করছে। ভাবলছিলাম সবার যেন টুকটাক হেল্প হয় সেভাবে একটা পোষ্ট লিখি। ( যদিও আমি প্রো/ এক্সপার্ট না। কারণ গ্রূপে অনেক সিনিয়র ভাই আছেন যারা কয়েক বছর ধরে মার্কেটিং এর কাজ করছেন, এবং ইন্টারন্যাশনালী, সুতরাং তাদের ভিড়ে আমি মাত্র পিঁপড়া)

ফেসবুকে রিচ / সেল জেনারেট না আসার অনেক গুলো কারণ আছে। অনেক মনে করেন বুস্ট করলেই সেল হয়, ভাইয়া এই ধারনা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলেন। কয়েকটি কারণ আছে তার ভিতর আমি গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পয়েন্ট নিয়ে বলবো।

  1. অবৈধ কুপন ব্যবহার করে এডস রানিং করা।
  2. টার্গেট সেট না করে এডস দেওয়া।
  3. না জেনেই ডিপ ডাউন মার্কেটিং করা।

প্রো মার্কেটিং নিয়ে আলোচনা করা সম্ভব না আর এটা সিক্রেট তাই এটা নিয়ে কেউ কখনো শেয়ার করে না। তাই আমিও বেসিক ব্যাপার গুলো নিয়েই লিখছি।

1  অবৈধভাবে কুপন ব্যবহার করা।

অনেকেই বলবেন আরে ভাই কুপন আবার কিভাবে অবৈধ হয় ? উত্তর: আপনার নিজস্ব এডস একাউন্টে যদি কুপন হয় সেটা বৈধ। অন্য কারো কাছ থেকে কিনে নিচ্ছেন সেটাও বৈধ, কিন্তু আপনি যার কাছ থেকে কুপন কিনছেন সে যদি ফেসবুক কে পেমেন্ট না করে বা কোন কারণে তার পেমেন্ট মেথড সাসপেন্ড হয় , তার বিক্রিত সব কুপন অবৈধ বা ফ্ল্যাগ হয়ে যায় অটোমেটিক ভাবেই। আর একটু ডিটেইলস বলি- ধরুন আমি একজন কুপন সেলার। এখন আমি কিভাবে কুপন পাই ? নতুন সিম কিনলে যেমন নতুন নতুন কম প্রাইসে অনেক অফার পাওয়া যায়। তেমনি ফেসবুক কোম্পানিও আমাদের সবার এডস দেওয়ার জন্য ফ্রি কুপন অফার করে। যেন আমরা এডস ব্যবহার করতে উৎসাহিত হয়।

তো সাধারণত একটি এডস একাউন্টে একটি মাত্র কুপন দেওয়া হয়, আগে ২ বারও দিতো। এখন আমি তো কুপন সেলার , আমি এতো কুপন পাবো কোথায় ? কুপন নেওয়ার জন্য আমি ফেক আইডি ও নতুন নতুন এডস একাউন্ট ক্রিয়েট করি। প্রীতিটি এডস একাউন্টে আমি আমার পেমেন্ট মেথড বা কার্ড এড করি। কার্ড এড করার পরেই কিছুদিনের ভিতরেই আমাকে ফেসবুক কুপন অফার দিবে বা দেয়। এখন আমি এরকম ১০০ টি আইডি বা এডস একাউন্ট থেকে এভাবে ১০০ টি এডস কুপন কালেক্ট করি এবং আপনার কাছে বিক্রি করি।

এবার মেইন পয়েন্ট, আমি যখন একই কার্ড অনেক একাউন্টে এড করবো, ফেসবুক সেটাকে অটোমেটিকভাবে স্ক্যাম ভেবে ডিডক্ট করে সাসপেন্ড করে দেয়। আবার কিছু কুপনে শর্ত থেকে ৫ ডলার খরচের পর কুপন কাজ করবে, সেক্ষেত্রে আমি ৫ ডলার খরচ করে কুপনটি নিয়ে সেল করে দিলাম। পরে আমি ফেসবুক কে আর কোন পেমেন্ট করলাম না। ব্যাস ফেসবুক আমার এডস একাউন্ট গুলো সাসপেন্ড ও কার্ড সাসপেন্ড করে দিলো। সব কুপন এবার অফিসিয়ালি অবৈধ। এবার যত কুপন আছে একটি কার্ড নাম্বার বা পেমেন্ট মেথড এর বিপরীতে , সব গুলো কুপন ফেসবুক ট্রেস করে।

কোন কোন পেজে কুপন গুলো ব্যবহার করা হয়েছে ফেসবুক সব ট্রেস করে সেই পেজ গুলোর রিচ কমিয়ে দেয়, অনেক সময় কোন কোন পেজে মেসেজ বা লাইক বাটন হাইড করে দেয় ফেসবুক। অধিক কুপন ব্যবহার করলে পেজ পুরোপুরি ডিজেবল করে দেন। অনেকে ভাববেন ভাই ফেসবুক কুপন ট্রেস করবে ক্যামনে এটা কি সম্ভব ? বলবো ভাই আরো পড়াশোনা করতে হবে আপনাকে তারপর এডস দিতে হবে। আপনি কোথায় যাচ্ছেন কি করছেন , কার সাথে কথা বলছেন সবাই ফেসবুক ট্রেস করে।

যেহুতু এখন কুপন ব্যবহার করা ট্রেন্ড হচ্ছে তাই রিস্কও বেশি। অনেক কম খরচ ভেবে এডস রানিং করছেন। আমি বলবো লাভ এর থেকে ক্ষতি বেশি। আমরা এক্সপেরিয়েন্স এ এখন পর্যন্ত ৭ টি পেজ ফ্ল্যাগ হতে দেখেছি।

2 টার্গেট সেট না করে এডস রানিং করা।

আপনি কি বিক্রি করবেন, কার কাছে বিক্রি করবেন, সেটা যদি না সেট হয় তাহলে পেজে রিচ আসবে না। আসলেও সেল জেনারেট হবে না। ধরুন আপনি বাদাম বিক্রি করবেন – এখন বাদাম কোথায় বিক্রি বেশি হয় সেটা আপনাকে জানতে হবে, বাদাম এখন কে কিনে বেশি সেটাও জানতে হবে। ধরুন আপনি বাদাম বিক্রি করার জন্য কোন স্কুলের গেটে না দাঁড়িয়ে বা কোন আড্ডা স্থান বাদ দিয়ে যদি আপনি আজিমপুর কবরস্থান এর গেটে দাঁড়ান তো আপনার বাদাম সারা দিনেও বিক্রি হবে না। অনেকে দেখবে আপনার বাদাম ১/২ জন ছাড়া কেউ কিনবে না।

তেমনি ফেসবুকে কি বিক্রি করবেন আর কাকে এডস দেখবেন সেটা আপনাকে মাথায় রাখতে হবে।

3 ডিপ ডাউন মার্কেটিং।

ডিপ ডাউন মার্কেটিং করে অল্প রিচেও অনেক বেশি সেল জেনারেট করা যায়। খুব সহজেই রিয়েল কাষ্টমার ফিল্টার করে বের করে নেওয়া যায়। যত ফিল্টার করবেন তত রিয়েল কাষ্টমার বের করা সম্ভব, সেক্ষেত্রে কস্ট ধীরে ধীরে বাড়বে ফিল্টার করার সাথে সাথে।
এই অধ্যায় অনেক লম্বা। স্বল্প সময় বা স্বল্প জ্ঞানে এটা কভার করা সম্ভব না। খুব সহজ ভাবেই একটা উদাহরণ দিয়ে শেষ করবো। একটি স্ট্রাকচার দেখুন এড এর –

Ad example

Location– Bangladesh/(Any specific location যেমন – Dhaka , CTG , Noakhali , Sylhet . xsupto)

Age– 18-40 ( Its depends on your products)

Gender -Male/Female (Its depends on your products)

Interest– ( মনে করুন আপনি বৈশাখী শাড়ি বিক্রি করবেন )
Cloth shopping
Aarong
women dress
Sada kalo (যদি টার্গেট করা যায়)
North South University
AIBU , BRAC university. xsupto

Include– engage shopper/women’s. dress. ( প্রোডাক্টের ধরন অনুযায়ী, সঠিক এডস কি ওয়ার্ড না জানলে এডস দেওয়া আর টাকা পানিতে ফেলা সমান)

Exclude– All Page admin / Student.

Location – কোন এরিয়ার ভিতর এডস ফেসবুক কাষ্টমার কে দেখাবে। ধরুন আমি কোন এড এ শুধু Dhaka লোকেশন দিয়ে দিলাম। ফেসবুক শুধু ঢাকার মানুষকেই এডস দেখাবে। লোকেশন ঠিক মত সেট না করলেও রিচ কমে যাবে।

Age – আপনার কাষ্টমার এর বয়স কত থেকে কত বয়সের ভিতর দেখাবে সেটা সেট করা। আপনি শাড়ি বিক্রি করবেন বৈশাখী, সেক্ষেত্রে কলেজ বা ইউনিভার্সিটির মেয়েরা বৈশাখী শাড়ি পড়ে, তাই বয়স 17- 40 হলে ভালো হয়। কারণ 50 বছরের এন্টি বৈশাখী শাড়ি পড়ে ঘুরবে না বা কিনবেন ও না।
আবার আপনি হাটু বা মাজা ব্যথার তেল বিক্রি করবেন সে ক্ষেত্রে বয়স 30- 65 করা ভালো। কারন এই বয়সে মাজার ব্যাথা বেশি হয় । 😁

এজ ঠিক মত টার্গেট না করলে ভালো রিচ বা সেল জেনারেট হবে না।

Gender – শাড়ি ছেলেরা পড়ে না মেয়েরা পড়ে সেটা তো জানেন। এখন শরীর এড দেখবে শুধু মেয়েরা। ছেলেদের দেখিয়ে লাভ নেই এরা কিনবেন না। এরকম সব প্রোডাক্টের জন্যই জেন্ডার সিলেক্ট করা জরুরী।

জেন্ডার ঠিক থাক না সেট করলে রিচ আসবে কিন্তু সেল হবে না কোন।

Interest – শাড়ি আপনি কার কাছে বিক্রি করবেন সেটা। কোন ধরনের মেয়েরা শাড়ি পছন্দ করে। ইন্টারেস্ট মূলত কাষ্টমার এর ফেসবুক এক্টিভিটি এর উপর নির্ভর করে। যেমন বৈশাখী শাড়ি বিক্রি করবেন, এখন আড়ং বড় একটি মার্কেট দখল করে থাকে বৈশাখী বা যে কোন ফেস্টিভ্যালে। কোন মেয়ে যদি আড়ং এ শাড়ি সার্চ করে বা অনলাইনে শাড়ি সার্স করে অথবা মেয়েদের ড্রেস সার্স করে তাহলে আড়ং টার্গেট করলে ফেসবুক বৈশাখী শাড়ির এডস তখন ওই মেয়েকে দেখাবে। ভার্সিটি গুলোতেও টার্গেট করলে সেম ভাবেই টার্গেট হবে। কোন রকম এক্টিভিটি এর সাথে মিলে গেলেই ফেসবুক এড দেখাবে তাঁকে।

ইন্টারেস্ট সঠিক ভাবে সেট করতে আপনকে অনেক সময় বের করে কি ওয়ার্ড গুলো খুঁজতে হবে। কি ওয়ার্ড ছাড়া ভালো মত টার্গেট করতে পারবেন না কখনোই। নির্দিষ্ট প্রডাক্টের জন্য নির্দিষ্ট টার্গেট বা কি ওয়ার্ড। অনেক একই কি ওয়ার্ড দিয়ে সব পোষ্ট বুস্ট করে ফলে রিচ কম আসে, সেল কমে যায়। এটা প্রধান গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট।

Include – সব থেকে মজার পয়েন্ট। এখানে আপনি যত ফিল্টার করবেন ততই আপনি রিয়েল কাষ্টমার পাবেন বা আপনার কাংখিত অডিয়েন্স বের করতে পারবেন।

আমি শাড়ি বিক্রি করবো তাই আমি এনগেজ সপার রাখলাম, যেহুতু শাড়ি মেয়ের দের ড্রেস তাই ওমেন্স ড্রেস ও টার্গেট করে দিতে পারি।
ইন্টারেস্ট ফিল্টার করে ইনক্লুড ম্যাচ হলেই তারপর এডস দেখাবে ফেসবুক। সুতরাং রিয়েল কাষ্টমার ফিল্টার হয়ে গেল।

ইনক্লুডিং এর জন্য সঠিক কি ওয়ার্ড লাগে। ইনক্লুডিং করা মানেই সেল হবে এমন না। আপনি প্রপার জ্ঞান না নিয়ে এটা নিয়ে কাজ করতে পারবেন না। পর্যাপ্ত রিসার্চ ছাড়া ইনক্লুডিং করা মনে টাকা পানিতে ফেলা।

Exclude – আমি কাকে এডস দেখাতে চাই না সেটা টার্গেট করে দেওয়া। ধরুন আমি অন্য পেজের কাউকে আমার এডস দেখতে দিব না। তাহলে আমি এখানে কি দিয়ে অন্য পেজের এডমিন কে আমার পেজের এডস দেখা বন্ধ করে দিবো।

ধরুন আমি বৈশাখী শাড়ি বিক্রি করছি , আমি এখন অন্য যারা বা পেজের এডমিন শাড়ি বিক্রি করে তাঁদেরকে আমার এডস দেখতে দিব না।

আমাদের দেশে যারা মেয়ে সেলার বা ফেসবুকে মেয়েদের আইটেমস বিক্রি করেন তারা অনেকেই কম বেশি একটি সমস্যাতে পড়েন – সেটা হলো অন্য কেউ বা অন্য পেজের এডমিন আপনার পেজে বা রানিং এডস এ রিপোর্ট মারে ইচ্ছা করে বা শত্রু ভেবে, যেন আপনি সেল না করতে পারেন।

এই ক্ষেত্রে এক্সক্লুডিং খুবই কার্যকর। এটার কোন মিস নাই।

এটার জন্যও আপনাকে সঠিক কি ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। নাহলে রিচ কমে যাবে। যখন এক্সক্লুডিং করা হয় এমনিতেই ১০ লাখ অডিয়েন্স থাকলে কমে ৬ লাখ হয়ে যায়। এটি অনেক পাওয়ার ফুল ।

এই হলো ডিপ ডাউন মার্কেটিং। কিন্তু এটা অনেক না জেনেই অল্প কিছু শিখে শুরু করে দেই ডিপ ডাউন মার্কেটিং।

ফেসবুক প্রতিনিয়ত তাদের সব কিছু আপডেট করছে অটোমেটিক ভাবেই। সাথে সাথে মার্কেট কম্পিটিশন বাড়ছে। তাই প্রতিদিন নতুন নতুন ফর্মুলায় এডস রান করাই হলো আসল ব্যাপার। নতুন নতুন অডিয়েন্স বা নতুন অডিয়েন্স ক্রিয়েট করে এডস রানিং করতে হবে।

এবার একটু বলি , অনেক এজেন্সি আছে এরা মূলত এক্সপার্ট না। কার্ড করে অন্যের এডস দিতে ব্যস্ত। এসব এজেন্সি দিয়েও আপনি কোন ভালো রেজাল্ট পাবেন না। ভালো এজেন্সি সিলেক্ট না করতে পারলে রিচ এমনিতেই কমে যাবে সেল তো পরের কথা।

খুব সহজে সবাইকে বোঝানোর চেষ্টা করছি। সাথে ডিপ ডাউন মার্কেটিং এর ধারণা দিয়েছি। অনেক ভাবতে পারেন এটা পড়েই আপনি শিখে গেছেন , আপনাকে বলবো ভাই খামাখা টাকা নষ্ট করেন না। অনেক স্ট্যাডি করতে হবে তারপর ডিপ ডাউন মার্কেটিং করুন।

লেখায় বানান ভুল থাকতে পারে, ক্ষমা করবেন। কোন প্রশ্ন থাকলে আমাকে ইনবক্স করতে পারেন, তবে অযথা প্রশ্ন করে মূল্যবান সময় নষ্ট করবেন না। আপনি নিজেই বুস্ট করেন , আপনি মোটামুটি জানেন সেক্ষেত্রে কোন সমস্যা হলে বা টিপস দরকার হলে আমাকে নক দিতে পারেন নির্দ্বিধায়। আমি চেষ্টা করবো সাধ্যমত হেল্প করার। আমিও চাই যারা নিজের ব্যবসার কাজ নিজেই করেন তাদেরকে হেল্প করতে।

যদি আপনাদের মনে হয় আমার লেখায় শেখার মত বা জানার নতুন বিষয় আছে, তাহলে নেক্সটে ফেসবুক মার্কেটিং নিয়ে দ্বিতীয় পোষ্ট করবো। ফেসবুক মার্কেটিং এ What should to do or What shouldn’t ? নিয়ে লিখবো। কমেন্টে জানিয়ে দিবেন

অনুমতি ব্যাতিত লেখা কপি করবেন না বা অন্য সাইটে, গ্রূপে পোষ্ট করবেন না। পুরো লেখা টাইপ করতে অনেক সময় এবং কষ্ট লাগে।

সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।
ধন্যবাদ।

Original Writer – Shorif Islam

Related Articles

Leave a Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Alert: Content is protected !!
Close
Close