Bangla ArticlesBlogging TipsBusiness IdeaBusiness TipsE-Commerce Tips & tricksEarning Tips & TricksMixed ArticlesNews

অনলাইন ব্যবসায়ীরা সাবধান

অনলাইন ব্যবসায়ীরা সাবধান

Abdur Razzaque Raz ভাই থাকা অবস্থায় আজ xxx Shop এ ইনকাম ট্যাক্সের ইন্সপেক্টর এসেছিলেন।

আশা করি সামনে সিটি কর্পোরেশনের লোকজন আসবেন ট্রেড লাইসেন্স দেখার জন্য।

যেকোন মুহুর্তে বিএসটিআইয়ের লোকজনও আসবেন অনুমোদনহীন খাবার বেচি কিনা দেখার জন্য।

শুধু তাই নয় নিরাপদ খাদ্যের অফিসাররাও বিশেষ করে ম্যাজিস্ট্রেট সাহেবও বিনা নোটিশে চলে আসবেন যেকোন দিন।
আমরা সবার জন্য প্রস্তুত আছি।

ভাগ্য ভাল, কিছুদিন আগে TIN (টিন সার্টিফিকেট করে ফেলেছিলাম)। এটা ওনাকে দেখাইছি।

আমাদের বাড়ী ভাড়া কমার্শিয়াল। বাড়ীওয়ালা বাড়ী ভাড়ার ট্যাক্স দেন কমার্শিয়াল। আমাদের বাড়ী ভাড়ার চুক্তির কপি নিয়ে গেছেন।
আমাদের বিদ্যুত বিল কমার্শিয়াল। ট্রেড লাইসেন্স করাই আছে।
সুতরাং যারা অনলাইনে ব্যবসা করেন অথচ কোন প্রকার কাগজ পত্র করেন নি তারা এখনই সাবধান হয়ে যান।

আপনার কোন ঠিকানা নেই, সেটা কোন ব্যাপার ই না। আপনার পেইজ থেকে আপনার ফোন নম্বর নিয়ে ট্র্যাকিং করে আপনার কাছে সরকারী লোক চলে আসবে। এসে আপনার কাছ থেকে কাগজ পত্র দেখতে চাইবে। দেখাতে না পারলে প্রচলিত আইনে জেল জরিমানা হতে পারে। কিছু না করলেও আপনার কাছ থেকে অসাধু কর্মকর্তা ঘুষ নিবে, সেই ঘুষের পরিমান এত বেশি হবে যে সেই টাকা ব্যবসা করে উঠাতে পারবেন না।

আপনি অনলাইন কিংবা অফলাইন যেখানেই ব্যবসা করেন না কেন ঘরের মধ্যে ব্যবসা করতে পারবেন না। ব্যবসা করতে হলে আপনাকে অবশ্যই কমার্শিয়াল স্পেস ব্যবহার করতে হবে। কমার্শিয়াল স্পেস ছাড়া আপনাকে ট্রেড লাইসেন্স দিবে না। আর ট্রেড লাইসেন্স না পেলে আপনি বৈধভাবে ব্যবসা করতে পারবেন না।

বৈধভাবে ব্যবসা করতে হলে আপনাকে দুইটা জিনিস অবশ্যই সংগ্রহ করতে হবে।

১- ট্রেড লাইসেন্স
২- টিন সার্টিফিকেট

ট্রেড লাইসেন্সের জন্য কী করবেন?

ট্রেড লাইসেন্সের জন্য আপনার ছবি ও ভোটার আইডি কার্ড জমা দিয়ে সিটি কর্পোরেশন ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স করাতে পারবেন। আপনি নিবেন ‘ই-কমার্স’ ক্যাটাগরিতে।
সিটি কর্পোরেশনে ট্রেড লাইসেন্স করতে গেলে ৫ হাজার টাকার মত লাগবে। প্রতি বছর এই টাকা দিয়ে রিনিউ করতে হবে।

টিন সার্টিফিকেটের জন্য কী করবেন?

ভোটার আইডি কার্ড ও এক কপি ছবি থাকলে আপনি অনলাইনেই টিন সার্টিফিকেট পেয়ে যাবেন। গুগুলে সার্চ দিলেই ফর্ম পেয়ে যাবেন। সেটা ফিলাপ করলেই আপনাকে টিন দিবে। এটা ১০ মিনিটের কাজ। টিন পাওয়ার পরে আপনাকে ট্যাক্স দিতে হবে। ইনকাম হোক বা না হোক বছরে এর পেছনে মিনিমাম ৫ হাজার টাকা খরচ করতে হবে।

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এই দুইটা সার্টিফিকেট সব সময় রাখবেন। কারণ সিটি কর্পোরেশন কিংবা ইউপির লোক এসে ট্রেড লাইসেন্স খুজবে। ট্যাক্সের লোকজন এসে টিন খুজবে।

আর আপনি বাসায় বসে কোন রকম অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই হোম মেইড ফুড বানিয়ে বিক্রি করছেন- সেই দিনও শেষ হয়ে আসতেছে। আপনাকে সরকার মাসে ৯৭৫ টাকায় গ্যাস দেয় শুধুমাত্র বাসার রান্না করার জন্য, এটা রান্না করে বেচার জন্য দেয় নাই। বেচার জন্য যদি গ্যাস লাইন নেন তাহলে সেই লাইন হবে কমার্শিয়াল লাইন, সেটার বিল কয়েকগুণ বেশি! সরকার আপনার বাসায় বিদ্যুতের লাইন দিয়েছে আপনার বসবাস করার জন্য। এই লাইন ইউজ করে আপনি বেচা বিক্রি করছেন সেটা সরকার এলাউ করবে না।

আপনি পোষ্ট দিবেন-

আমি এঞ্জেল সারাহ কাজ করছি কেক নিয়ে। যেকোন দিন দরজায় টক টক করে ফুড চেক করার অথরিটি এসে হাজির হবে। ফুড আইটেম চেক করার অথরিটি কিন্তু কয়েকটা। কে কখন চলে আসবে সেটা বলা কঠিন।

সম্প্রতি বিএসটিআই একটা নোটিশ দিয়েছে অনলাইন বেইজড ব্যবসায়ীদের সম্মন্ধে। সুতরাং যা করার সাবধানে করুন।

ক্রেডিট ঃ ফখরুল ইসলাম

Related Articles

Leave a Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Alert: Content is protected !!